মৌজা ম্যাপ কি ?

মৌজা ম্যাপ বা মৌজা মানচিত্রের সম্পূর্ণ বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো।

.

“মৌজা” শব্দের উৎপত্তি হয়েছে ফারসি শব্দ “Mauja” থেকে। যার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে -গ্রাম, এলাকা বা বসতি।

মৌজা হচ্ছে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক একক বা ইউনিট। সাধারণত একটি গ্রামই একটি মৌজা। অনেক ক্ষেত্রে একটি গ্রামই একটি মৌজা। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রাম ছোট হলে কয়েকটি গ্রাম মিলে একটি মৌজা ধরা হয়।

ভূমির সীমানা চিহ্নিত করার জন্য প্রত্যকে থানাকে অনেকগুলো মৌজায় বিভক্ত করে প্রত্যেক মৌজার ভিন্ন ভিন্ন ম্যাপ তৈরী করা হয়। এই ম্যাপকেই বলা হয় মৌজা ম্যাপ।     

.

ম্যাপ (Map) মানে মানচিত্র বা ভূমির মানচিত্র।  

.

পুরো পৃথিবীর ম্যাপকে বলা হয় ওয়ার্ড ম্যাপ (World Map). পৃথিবীর মধ্যে যেকোন একটি দেশের ম্যাপকে বলা হয় কান্ট্রি ম্যাপ (Country Map)। আবার একটি দেশের মধ্যে যেকোন একটি জেলার ম্যাপকে বলা হয় জেলা ম্যাপ (District Map). একটি জেলার মধ্যে যেকোন একটি থানার ম্যাপকে বলা হয় থানা ম্যাপ (Thana Map). তেমনিভাবে একটি থানার অন্তর্গত যেকোন একটি গ্রাম বা মৌজার ম্যাপকে বলা হয় মৌজা ম্যাপ (Mouza Map).

ভূমি জরিপের পর প্রত্যেক মৌজার জন্য এক বা একাধিক ম্যাপ তৈরী করা হয়। মৌজা ছোট হলে একটি ম্যাপ হয়। মৌজা বড় হলে একটি মৌজার একাধিক ম্যাপ হয়। প্রত্যেক মৌজার একটি সিরিয়াল নম্বর থাকে যাকে এজ.এল নম্বর বলা হয়। একটি মৌজার একাধিক ম্যাপ হলে পৃথক শীট নম্বর থাকে  

.

১। সম্পূর্ণ মৌজার পুরো ভূমির চিত্র,

২। সম্পূর্ণ ভূমি দাগে দাগে বিভক্ত থাকে,

৩। এজ.এল নম্বর (J.L Number,

৪। শীট নম্বর (Sheet Number),

৫। দাগ নম্বর (Plot/Dag Number),

৬। মৌজা, থানা ও জেলার নাম,

৭। মৌজা ম্যাপে রাস্তা, খাল, নদী, সরকারি জমি ইত্যাদি দেখানো থাকে। ইত্যাদি

.

এ যাবত বাংলাদেশে চার বার ভূমি জরিপ হয়েছে। যাদের নাম হচ্ছে-

  1. CS Map (Cadetral Survey Map)- যাহা ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা হয়েছিল।
  2. SA Map (State Acquisition Map)- যাহা পাকিস্তান আমলে করা হয়েছিল।
  3. RS Map (Revisional Survey MAp)- যাহা পাকিস্তান আমলে পুনঃসংশোধন করা হয়েছিল।
  4. BS (Bangladesh Survey) / City Survey- যাহা স্বাধীনতার পর নতুনভাবে জরিপ করা হয়েছিল।
  5. DP Map (Digitalized Map) – বর্তমানে কম্পিউটারাইজড ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে ম্যাপ এর কাজ চলমান রয়েছে।

প্রত্যকে জরিপের পর মৌজা ম্যাপ তৈরী করা হয়। সুতরাং বর্তমানে বাংলাদেশে চার ধরণের মৌজা ম্যাপ আছে।    

.

কোনো নির্দিষ্ট মৌজার জমির সীমানা, খতিয়ান, দাগ নম্বর, রাস্তা, নদী, খাল, জলাশয় ইত্যাদি সঠিকভাবে চিহ্নিত করার জন্য মৌজা ম্যাপ ব্যবহার করা হয়।

.

যেকোন আইনগত উপদেশ ও সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন-

সার্বিক পরিচালনায়- এডভোকেট মুহাম্মদ মহীউদ্দীন (শিশির)

কোর্ট চেম্বার- ২/১, কোর্ট হাউজ স্ট্রিট, ঢাকা জজ কোর্ট, কোতোয়ালী, ঢাকা

অথবা

ইভনিং চেম্বার- বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা।

মোবাইল-  01540105088/ 01711068609 (Whatsapp)

ওয়েবসাইট- www.ainbid.com

.

(১) দলিল লেখা ও রেজিস্ট্রি,

(২) নামজারি ও মিস কেইস পরিচালনা,

(৩) ট্যাক্স ও ভ্যাট রিটার্ণ প্রস্তুত, সাবমিট, অডিট, আপীল পরিচালনা।

(৪) জমি-জমা বা দেওয়ানী মামলা মোকদ্দমা পরিচালনা,

(৫) অপরাধ বা ফৌজদারী মামলা পরিচালনা,

(৬) কোম্পানী/সমিতি/ক্লাব/ট্রাস্ট ইত্যাদি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স, সিভিল এভিয়েশন লাইসেন্স, পরিবেশ, ফায়ার ও রাজউক অনুমোদন সহ যেকোন ব্যবসায়িক নতুন লাইসেন্স করা ও নবায়নে সহায়তা,

(৭) জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয় ও ডেভেলপমেন্ট করা।

ধন্যবাদ।   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *