আয়কর আইন, ২০২৩ নতুন করে প্রণয়ন করার কারণ

আয়কর আইন, ২০২৩ নতুন করে প্রণয়ন করার কারণ নিচে তুলে ধরা হলো

 

“আয়কর আইন, ২০২৩” আইনটি প্রণয়নের পূর্বে বাংলাদেশে Income-tax Ordinance, 1984 নামে একটি পূর্ণাংগ আয়কর আইন প্রচলিত ছিল। এখন প্রশ্ন হচ্ছে একটি পূর্ণাংগ আয়কর আইন প্রচলিত থাকার পরও কেন আবার নতুন করে আয়কর আইন, ২০২৩ প্রণয়ন করা হলো? এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য নিচের লেখাটি পড়ুন।

 

২০১১ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৮২ সনের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সনের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সামরিক ফরমান দ্বারা জারীকৃত অধ্যাদেশসমূহের অনুমোদন ও সমর্থন প্রদানকারী সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৯ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করা হয়।

 

এছাড়াও সিভিল আপিল নং ৪৮/২০১১ তে সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রায়ে সামরিক আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয় এবং সামরিক আইনকে বৈধতা প্রদানকারী সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী “সংবিধান (সপ্তম সংশোধন) আইন, ১৯৮৬ (১৯৮৬ সনের ১ নং আইন)” বাতিল ঘোষিত হয়।

 

ফলে ১৯৮২ সনের ২৪ মার্চ হইতে ১৯৮৬ সনের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সামরিক ফরমান দ্বারা জারীকৃত অধ্যাদেশসমূহ বাতিল হয়ে যায়।

 

এই সময়ের মধ্যে Income-tax Ordinance, 1984 প্রণীত হওয়ার কারণে এই আইনটি বাতিল হয়ে যাওয়ায় আয়কর সংক্রান্ত নতুন আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

 

তাই আয়কর (Income Tax), অগ্রিম আয়কর (Advance Income Tax বা AIT), উৎসে কর (Source tax), ন্যূনতম কর (Minimum Tax), সারচার্জ (Surcharge) ও অন্য কোনো প্রকারের কর আরোপের ক্ষেত্র বিস্তৃত করা, আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে যুগোপযোগী ও সময়োপযোগী করে নূতন আইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন বিধায় Income-tax Ordinance, 1984 আইনটি রহিত করে যুগোপযোগী ও সময়োপযোগী করে সম্পূর্ণ নূতনভাবে “আয়কর আইন, ২০২৩” আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

 

প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন-

 

শিশির এন্ড এসোসিয়েটস

সার্বিক পরিচালনায়: এডভোকেট মুহাম্মদ মহীউদ্দীন (শিশির)

017110686009 / 01540105088

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *