“এজমালী জমিতে নির্মিতব্য আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাটওয়ারী মালিকানা ও পৃথক সুবিধা ভোগের অধিকার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত শরিকানা চুক্তিপত্র দলিল”
করে করুণাময় সর্ব শক্তিমান আল্লাহ পাক হালুল আলামিনের পবিত্র নাম স্মরণ করিয়া অত্র চুক্তিপত্র দলিলের বর্ণনা প্রদান করিতেছি। এই শরিকানা চুক্তিপত্র দলিল অদ্য ইংরেজী ২০২৬ সালের আগস্ট মাসের ২৭ তারিখে নিম্নোক্ত পক্ষণণের মধ্যে সম্পন্ন হলো।
১। প্রথম পক্ষ:
মোঃ আবদুল আউয়াল, জন্ম তারিখ-০১-০৩-১৯৫৩ ইং, পিতা-মরহুম আবদুল হাকিম, মাতা ফুলমোহর বিদি, সার্কিন-৭২/৪-সি, পশ্চিম ভাষানটেক, ডাকঘর-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, খাল-জাফরুল, জেলা-ঢাকা, জাতীয়তা-বাংলাদেশী, ধর্ম-ইসলাম, পেশা-চাকুরী (অবঃ), বাকে অতঃপর “এবয় পক্ষ” বলে অভিহিত করা হলো এবং যাহ্য দ্বারা তাঁর ওয়ারিশ, উত্তরাধিকারী, স্থলবারী, স্বত্বাধিকারী, তত্ত্বাবধায়ক ও বৈধ প্রতিনিধিকেও বুঝাবে।
২। দ্বিতীয় পক্ষ:
মোঃ ফরিদ, জন্ম তারিখ-০৫-৩-১৯৬২ইং, পিতা-মরহুম আবদুল হাকিম, মাতা-ফুলমেহের বিবি, সাকিন-৭২/৪-সি, পশ্চিম ভাষানটেক, ডাকঘর-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, থানা-কাফরুল, জেলা-ঢাকা, জাতীয়তা-বাংলাদেশী, ধর্ম-ইসলাম, পেশা-চাকুরী, যাকে অতঃপর “দ্বিতীয় পক্ষ” বলে অভিহিত করা হলো এবং যাহা দ্বারা তাঁর ওয়ারিশ, উত্তরাধিকারী, স্থলবর্তী, স্বত্বাধিকারী, তত্বাবধায়ক ও বৈধ প্রতিনিধিকেও বুঝাবে।
৩। তৃতীয় পক্ষ:
মোঃ আজমল হুদা মিঠু, জন্ম তারিখ ০১-০৩-১৯৬৫ ইং, পিতা-মরহুম আবদুল হাকিম, মাতা-ফুলমেহের বিবি, সাকিন-৭২/৪-সি, পশ্চিম ভাষানটেক, ডাকঘর-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, খানা-কাফরুল, জেলা-ঢাকা, জাতীয়তা-বাংলাদেশী, ধর্ম-ইসলাম, পেশা-ব্যবসা, যাকে অতঃপর “চতুর্থ পক্ষ” বলে অভিহিত করা হলো এবং যাহা দ্বারা তাঁর তাঁর ওয়ারিশ, উত্তরাধিকারী, স্থলবর্তী, স্বত্বাধিকারী, তত্ত্বাবধায়ক ও বৈধ প্রতিনিধিকেও বুঝাবে।
পরম করুনাময় সর্ব শক্তিমান আল্লাহ পাক রাব্বুল আল-আমিনের পবিত্র নাম স্মরণ করিয়া অত্র শরিকানা চুক্তি পত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিতেছি। যেহেতু-নিম্ন তফসিল বর্ণিত সম্পত্তিতে ডন ফার্মেসী কোর্ট রোড সাকিন নিবাসী মরহুম সাহাবুদ্দিন এর পুত্র-ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ ও ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ এর পুত্র-মোঃ তসলিম উদ্দিন আহমেদ বিগত ইংরেজি ১৩-৫-১৯৭৪ সন তারিখে ঢাকা জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ১৩৬০৬ নং ও ১৬৩০৭ নং পৃথক পৃথক দুই খণ্ড সাফ কবলা দলিল দালে ঢাকা জেলার সাবেক তেজগাঁও, হালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন মানিকদী সাফিন নিবাসী মরহুম মোঃ শহিদ আলী এর পুত্র-মোঃ শাহাদ আলী গংদের নিকট হইতে খরিদ করিয়া খরিদা সূত্রে স্বত্ববান মালিক ও ভোগ দখলকার নিয়ত থাকাবস্থায় বিগত ইংরেজী ০৫-৩-১৯৯৭ সন তারিখে গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ৩১১৮ নং সাফ কবলা দলিল দ্বারা আমরা অত্র দলিলের পক্ষগণের শিয়া-আবদুল হাকিম ও মাতা-ফুলমেহের বিবি এদের বরাবরে সাফ বিক্রয় করিয়া দিয়া বিক্রীত সম্পত্তি হইতে উক্ত ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ ও মোঃ তসরিম উদ্দিন আহমেদ চিরতরে নিঃস্বত্বান ও দখলত্যাগী হন।
অতঃপর, উক্ত আবদুল হাকিম ও ফুলমেহের বিবি নি তফসিল বর্ণিত সম্পত্তিতে উপরোল্লেখিত সাফ কবলা দলিল মূলে খরিদ করিয়া খরিদা সূত্রে স্বত্ববান মালিক ও ভোেগ দখলকার নিয়ত থাকাবস্থায় বিগত ইংরেজী ১০-৭-১৯৯৭ সন তারিখে বাংলাদেশ নোটারী পাবলিক এর আদালতে ১৯নং ক্রমিকের দান পত্র দলিল দ্বারা আমরা অত্র দলিলের পক্ষগণের বরাবরে দান করিয়া দিয়া দানকৃত সম্পত্তি হইতে উক্ত আবদুল হাকিম ও ফুলমেহের বিবি চিরতরে নিঃস্বত্ববান ও দখলত্যাগী হন।
অতঃপর, আমরা অত্র দলিলের পক্ষগণ নি তফসিল বর্ণিত সম্পত্তিতে উপরোল্লেখিত দান পত্র দলিল মূলে পিতা ও মাতার নিকট হইতে দান সূত্রে প্রাপ্ত হইয়া স্বত্ববান মালিক নিয়ত থাকিয়া ঢাকা সিটি জরিপে আমাদের নিজ নিজ নামে এজমালিতে শুদ্ধরূপে রেকর্ডভূক্ত করাইয়া খাজনাদি আদায়ের সুবিধার্থে বাংলাদেশ সরকারের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিরপুর সার্কেলে বিগত ইংরেজী ১০-০৬-২০০৬ সন তারিখে ২৮০৫/০৬ নং নামজারী ও জমাভাগ মোকদ্দমা বলে স্থানীয় তহসিল অফিসে ১২০/১০০ নং জোতে আমাদের নিজ নিজ নামে নামজারী ও জমাভাগ করাইয়া সরকারের নি বাজনারী পরিশোধ ক্রমে চেক দাখিলা গ্রহণে এযাবৎকাল পর্যন্ত অন্যের বিনা ওজর-আপত্তিতে শান্তিপূর্ণ জাবে পরম সুখে-শাড়িতে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি।
যেহেতু উপরে বর্ণিত পক্ষগণ নির্ণায় ও যুক্ত অবস্থায় স্বত্ববান ও এজমালী ভোগ দখলকার বহাল থাকাবস্থায় কার উপর একটি ০৪ (চার) তলা বিশিষ্ট স্বয়ং সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটযুক্ত আবাসিক ভবন প্রকল্প সমগ্রিক ও রাজউক এর অনুমোদিত নকসা মোতাবেক সাধারণ সুবিধা সমূহ যৌথভাবে ভোগ করার ও আধারণ কর্তব্য সমূহ যৌথভাবে সম্পাদন করার শর্তসাপেক্ষে, নিজস্ব তহবিলের অর্থ ধারা নির্মাণ করবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন এবং যেহেতু উপরোক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে ঋণদানকারী সংস্থার নিকট হতে অর্থ ঋণ পাবার জন্য অথবা চুক্তির জমি ও নির্মিতব্য ভবন প্রকল্পের পক্ষগণের পৃথক ও যৌথ অধিকার সমূহ এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পূর্বাহ্নে সুচিহ্নিত ও সুনির্দিষ্ট হওয়া আবশ্যক।
সুতরাং উপরোক্ত পক্ষগণ প্রস্তাবিত ভবন প্রকল্পে এক পক্ষের প্রাপ্য সুবিধা ও অংশীদারিত্ব অপর পক্ষ/পক্ষগণের প্রাপ্য সুবিধা ও অংশীদারিত্বের পন (কনসিডারেশন) হিসাবে গণ্য করে আপন খুশীতে সর্বসম্মতভাবে একে অপরের বরাবরে এই শরিকানা লিখে দিয়ে স্বীকার, অংগীকার ও ঘোষণা করিলেন যে,
১। চুক্তির জমির মোট পরিমাণ ৪১২.৫০ (চারশত বার দশমিক পাঁচ শূন্য) অযুতাংশ বিধায় উহাকে সম-সংখ্যক ৪১২.৫০টি শিয়ারে রুপান্তর করা হলো এবং পক্ষগণের অংশানুসারে চুক্তির জমিতে নিম্নোক্তভাবে তাদের শেয়ার বণ্টন করা হলো-১ম পক্ষ ১০৩.১২৫টি শেয়ার, ২য় পক্ষ ১০৩.১২৫টি শেয়ার, ৩ য় পক্ষ ১০৩.১২৫টি শেয়ার, ৪র্থ পক্ষ ১০৩.১২৫টি শেয়ার এবং বিশেষ শর্ত রইল যে, উক্ত শেয়ার অনুসারে চুক্তির জমি সরেজমিনে তদাপী বিভাজনযোগ্য হইবে না বা পক্ষগণ বিভাজন করতে অধিকারী হইবেন না।
২। পক্ষগণের সর্বসম্মত শরিকানা অনুসারে চুক্তির জমিতে অবিভাজ্য ইউনিট গণ্য করে তার উপর স্বয়ং সম্পূর্ণ ০৪ (চার) তলা বিশিষ্ট সম্পন্ন আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রস্তাবিত এই ভবন প্রকল্পের পৃথক পৃথকভাবে নির্মাণযোগ্য প্রাপনযোগ্য ও দখলযোগ্য ফ্ল্যাটসমূহ বাদে যে সকল বিষয় ও সুবিধা পাবেন যৌথ উদ্যোগ ও অংশগ্রহণ ছাড়া নির্মাণ করা সম্ভব নয় এবং যে সকল সুবিধা পক্ষগণের সম-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সাধারণবাবে ব্যবহার্য থাকবে, যথা-চুক্তির জমির প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে তাকে উক্ত ভবন প্রকল্প নির্মাণের উপযোগী করা, প্রস্তাবিত ভবনের ফাউন্ডেশন, পানির ট্যাক, পয়-নিষ্কাশন ব্যবস্থা, বাহিরের ড্রেন, সীমানার প্রাচীর গমনাগমনের রাস্তা, জলছাদ ও ছাদের উপরস্থ পানির ট্যাংক, বিদ্যুৎ ও পানি, গ্যাস, টেলিফোন লাইনের বর্হির সংযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি পক্ষগণ সম-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যয় নির্বাহ পূর্বক নির্মাণ করিবেন। এ সকল সুবিধাসমূহ বা তার কোন অংশ যে পক্ষের অনুমোদিত নকসায় চিহ্নিত বা নির্দিষ্ট থাকনা কেন তার নির্মাণ, সংরক্ষণ, সংস্কার, পরিবর্তন, পরিবর্ধন পক্ষগণ সমভাবে নিজ নিজ পৃথক তহবিলের অর্থ দ্বারা যৌথভাবে সম্পন্ন করিতে বাধ্য থাকিবেন।
৩। অতঃপর উক্তরূপে ০৪ (চার) তলা বিশিষ্ট ইমারত নির্মিত হওয়ার পর:-
১ম পক্ষ: মোঃ আবদুল আউয়াল পাইবে ও মালিকানায় থাকিবে ইমারতের গ্রাউন্ড ফ্লোব এর দক্ষিণ-পূর্ব পার্শ্বের ফ্ল্যাট, ১ম তলার উত্তর পার্শ্বের ফ্ল্যাট ও ৪র্থ তলার দক্ষিণ পার্শ্বের ফ্ল্যাট।
২য় পক্ষ। মোঃ ফরিদ পাইবে ও মালিকানায় থাকিবে ইমারতের গ্রাউন্ড ফ্লোর এর দক্ষিণ-পশ্চিম পার্শ্বের ফ্ল্যাট ও ৩য় তলার সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট।
৩য় পক্ষ। মোঃ আজমল হুদা মিঠু পাইবে ও মালিকানায় থাকিবে ইমারতের গ্রাউন্ড ফ্লোর এর উত্তর-পূর্ব পার্শ্বের ফ্ল্যাট, ২য় তলার সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট যদি মোঃ আজমল হুদা মিঠু নিজ অর্থ ধারা ১ বৎসর মেয়াদ এর মধ্যে করিতে পারেন তবে উক্ত ২য় তলার সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট প্রাপ্ত হইবে আর ঘদি উক্ত যেয়াস মধ্যে উক্ত মোঃ আজমল হুদা মিঠু নিজ অর্থ দ্বারা নির্মাণ করিতে না পারেণ করে অর দলিলের দ্বিতীয় পক্ষ মোঃ ফরিদ তাহা নির্মাণ করিয়া প্রাপ্ত হইবেন এবং তৃতীয় ধাইবেন এবং প্রথম বৎসরের জন্য অবশ্যই তৃতীয় তলার কাজ সম্পূর্ণ করিবেন।
৪র্থ পক্ষ। মোঃ আনোয়ার হোসেন পাইবে ও বালিকানায় থাকিবে ইমারতের গ্রাউন্ড ফ্লোর এর উত্তর-পশ্চিম পার্শ্বের ফ্ল্যাট ও ১৪ তলার দক্ষিণ পার্শ্বের ফ্লাট এবং চতুর্থ তলার উত্তর পার্শ্বের একটি ফ্ল্যাট।
পক্ষণগণ নির্মাণের নকসার অনুমোদন হাজউক এর নিকট হইতে প্রাপ্ত হইয়াছেন এবং এরূপ অনুমোদিত নকসার ভিত্তিতে নিম্নাংসের ফ্লাটি থেকে ঋণ গ্রহণ করে নিজেদের স্বার্থে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিজস্ব ফ্ল্যাট নির্মাণ করিবেন। তাতে এক পক্ষ অন্য কোন পক্ষের কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিতে পারিবেন না।
৪। পক্ষগণ যৌথ ব্যবহারের স্থান, সুবিধাসমূহ সর্বদা সকলের ব্যবহারের উপযোগী রাখিতেন এবং কোন অবস্থাতেই কোন পক্ষ অন্য পক্ষকে ইমারত নির্মাণ কাজে বাধাপ্রাপ্ত করিতে পারিবেন না।
৫। পক্ষগণের যার অংশের/শেয়ারের উপর যে সমস্ত খাজনা, ট্যাক্স, ঢাকা সিটি করপোরশন কর/আয়কর ইত্যাদি ধার্য্য হবে তা এবং ব্যবহৃত বিদ্যুৎ, পানি ও পয়ঃনিস্কশন বিল ইত্যাদি খ-স্ব পক্ষ নিজ নিজ নামে আদায় করবেন।
৬। এই চুক্তিপত্র দলিলে অন্তর্ভুক্ত পক্ষগণ বা যে কোন পক্ষ তার অংশভূক্ত ফ্ল্যাট নির্মাণের জন্য যে কোন ব্যাংক বা বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন …ঋণ গ্রহণ করার ক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠানের বরাবরে উক্ত ফ্ল্যাট এবং অংশগত সম্পত্তি সম্পর্ক বন্ধক দলিল রেজিস্ট্রি করে দিতে পারিবেন এবং সেক্ষেত্রে এরূপ ঋণের টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত এই চুক্তিপত্র দলিলের কোন বল-বদল বা বাতিল করা যাবেনা বা পক্ষগণ তা করিতে পারিবে না।
৭। কোন একটি ফ্ল্যাটের মালিক তার নিজস্ব মালিকানায় ফ্ল্যাটটির নির্মাণ কার্য্য সমাপ্ত করতে অহেতুক বিলম্ব করলে বা সমাপ্ত না করলে তার নির্মিতব্য ফ্ল্যাটের বা ফ্ল্যাটগুলির নির্মাণ ব্যয় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও খরচ সহ সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাট মালিকের নিকট থেকে আদায় করে নিতে পারিবেন এবং তাদের ঐরূপ প্রাপ্য অর্থ ঋণ দাতা প্রতিষ্ঠানের ঋণের প্রথম চার্জের অধীনে ফ্ল্যাটটির উপর দ্বিতীয় চার্জ হিসাবে গণ্য হইবে।
৮। পক্ষগণের নিজ নিজ ফ্ল্যাট নির্মিত হইবার পর উহার মালিক কর্তৃক বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন বা অর্থ ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে ও অন্যান্য ফ্ল্যাট মালিকদের অগ্রাধিকার সাপেক্ষে অন্যত্র হস্তান্তরযোগ্য হইবে এবং হস্তান্তর গ্রহিতা এই চুক্তির শর্তাধীনে সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে ভোগ দখল করিবেন।
৯। বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশনসহ নির্মাণ আর্থিক সহায়তাদানকারী ব্যাংক/অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত ঋণ অনাদায়ের কারণে বা যুক্তিসংগত কোন কারণে ঋণ গ্রহণকারীর অংশগত শেয়ারের ভূমি এবং ফ্ল্যাট ইত্যাদি আইনানুগভাবে বিক্রয় করে ঋণের টাকা আদায় করিতে পারিবেন।
১০। নির্মিতব্য ইমারতের বাইরে যে খালি জায়গা থাকিবে তা যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তি হিসাবে সকল পক্ষের সম-অধিকারের ভিত্তিতে উপযোগীতা অনুযায়ী ব্যবহৃত হইবে।
১১। ভবিষ্যতে যদি কোন বিষযে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের মধ্যে মত বিরোধ দেখা দেয়, বিষয়টি শালিশীর মাধ্যমে নিষ্পত্তি হইবে এবং সেক্ষেত্রে নির্মিতব্য দালানের জন্য অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অফিসার/তাহাদের মনোনীত অফিসারকে শালিশাদির হিসাব সকল পক্ষ মেনে নিতে বাধ্য থাকিবেন।
১২। ভবিষ্যতে প্রয়োজন বোধে আমরা অত্র চুক্তিপত্র দলিলের পক্ষগণ আমাদের স্ব-স্ব সুবিদ্ধার্থে বণ্টন নামা দলিল রেজিষ্ট্রি করিয়া নিতে বাধ্য রহিলাম।
এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে, সুস্থ্য শরীরে, অন্যের বিনা প্ররোচনায় আমরা পক্ষগণ এই চুক্তিপত্র দলিল পাঠ করিয়া এর মর্ম ও ভাবার্থ অবগত হইয়া উপস্থিত স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় প্রথমে উল্লেখিত সাল, মাস ও তারিখে সহি সম্পাদন করলাম। ইতি তারিখ:- বাংলা ১৪১৭ সনের ২৯শে আষাড় ইংরেজী: ১৩/০৭/২০১০ সন।
“শরিকানা চুক্তিকৃত সম্পত্তির তফসিল পরিচয়”
জিলা-ঢাকা, থানা-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও সাব রেজিস্ট্রি অফিস গুলশান অধীন, ঢাকা কালেকটারীর তৌজিভুক্ত। সি.এস-২৮৯ নং, এস,এ-১১০ নং, আর,এস-৬ নং, ঢাকা সিটি জরিপে-৫নং মৌজা “জোয়ার সাহারা” স্থিত। সি, এস-১২৮ নং, এস.নং-৪৪৬ নং, আর, এস-২২৫২ নং মিউটেশন ৬৬৬৪নং, ঢাকা সিটি জরিপে-৩৮৩৬নং খতিয়ানে লিখিত, যাহার জোত নং ১১০/৯৬ ও ১৩০/১২০। ঢাকা সিটি জরিপে-৫৩৪২১ (তিপান্ন হাজার চারশত একুশ) নং দাগের কাতে ৪১২.৫০ (চারশত বার দশমিক পাঁচ শূন্য) অযুতাংশ বা স্থানীয় মাপে/২.৫০ (দুই দশমিক পাঁচ শূন্য) কাঠবাড়ী ভূমিও তসস্থিত যাবতীয় হক হকুক সমতে অত্র দলির দ্বারা শরিকানা চুক্তিপত্রকৃত সম্পত্তি ঘটে। যাহার চৌহদ্দি। উত্তরে-জসিম উদ্দিন, দক্ষিণে সখিনা বেগম, পূর্বে জাহাঙ্গীর, পশ্চিমে-ওহর আলী গং।
“হলফ নামা”
বরাবর,
সাব-রেজিস্ট্রোর সাহেব সমীপেষু,
সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, গুলশান, ঢাকা।
১। মোঃ আবদুল আউয়াল, জন্ম তারিখ ০১-৩-১৯৫৩ ইং, ২। মোঃ ফরিদ, জন্ম তারিখ। ০৫-০৩-১৯৬২ ইং, ৩। মোঃ আজমল হুদা মিঠু, জন্য তারিখ: ০১-৩-১৯৬৫ ইং, ৪। মোঃ আনোয়ারুল হোসেন, জন্ম তারিখ: ০৬-৭-১৯৬৯ইং।
আমি/আমার রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সনের ১৪২নং আদেশ মোতাবেক অত্র হলফ নামা দ্বারা প্রতিজ্ঞাপূর্বক এই মর্মে ঘোষণা করিতেছি যে,
১. আমি/আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা।
২. সংযুক্ত দলিলে যে স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করা হইয়াছে তাহা বাংলাদেশ দালালন আইন ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৮নং আদেশ বলে আটক করা হয় নাই।
৩. হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত বাংলাদেশ পরিত্যাক্ত সম্পত্তি আইন ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ১৬নং আদেশের সংজ্ঞা অনুযায়ী পরিত্যাক্ত সম্পত্তি নহে।
৪. হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত সম্পত্তি বাংলাদেশ প্রচলিত যে কোন আইন অনুসারে সরকারে বর্তায় নাই বা বাজেয়াপ্ত হয় নাই।
৫. হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত সম্পত্তি বাংলাদেশ প্রচলিত যে কোন আইনের পরিপন্থি নহে।
৬. হস্তান্তরের জন্য প্রস্তাবিত সম্পত্তি বাংলাদেশের ভূমির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ আইন ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৮নং আদেশ ৫(ক) ধারা অনুসারে বাতিল যোগ্য নয়।
৭. ঘোষণার জন্য প্রস্তাবিত স্থাবর সম্পত্তি নির্ভুল ভাবে অত্র দলিলে বর্ণিত হইয়াছে এবং হস্তান্তর করিবার অধিকার আমার/আমাদের আছে।
অত্র হলফ নামায় ঘোষণা করিয়া যাহা বলিলাম তাহা আমার/আমাদের জ্ঞান মতে সত্য এবং অদ্য সাব-রেজিস্ট্রার সাহেবের সম্মুখে দস্তখত করিলাম ইতি তারিখ: ১৩/৭/২০১০ইং।
ঘোষণাকারী/ঘোষণাকারীগণ আমার/আমাদের পরিচিত। তিনি/তাহার অত্র অফিসে হাজির হইয়া আমার সম্মুখে সহি প্রদান করিয়াছেন।
সনাক্তকারীর স্বাক্ষর। হলফকারীগণের স্বাক্ষর:
পক্ষগণের স্বাক্ষর
২।
৩।
অত্র দলিল হলফ নামাসহ (৮) পাতায় কম্পোজকৃত এবং (৩) জন স্বাক্ষী বটে।
মুসাবিদাকারক
সনদ নং-১০০,
(মোঃ ফেরদাউস আলী)
এস, আর, অফিস, গুলশান, ঢাকা।
কম্পোজকারক
মোঃ আজিজুল ইসলাম (রিপন)
এস, আর, অফিস সুত্রাপুর ঢাকা।
স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষর।
১।
২।
যেকোন আইনগত সহায়তার জন্য যোগাযোগ
শিশির এন্ড এসোসিয়েটস
সার্বিক পরিচালনায়: এডভোকেট মুহাম্মদ মহীউদ্দীন (শিশির)
ভূমি ও কর বিশেষজ্ঞ
01711068609