বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
বন্ধকী দলিল
অত্র বন্ধকী দলিল অদ্য … … … … ইং তারিখে তৈরি করা হইল।
শামসুদ্দিন আহাম্মেদ ভূঁইয়া, পিতা-মরহুম মোঃ হাবিব উল্লাহ ভূঁইয়া, গ্রাম-পূর্ব শোশালিয়া, ডাকঘর-দশঘরিয়া, থানা-চাটখিল, জেলা-নোয়াখালী, বর্তমানে-অফিসার, নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ, জনতা ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা, পেশা-চাকুরী, ধর্ম-ইসলাম, জাতীয়তা-বাংলাদেশী। পরবর্তীতে বন্ধকদাতা (যাহাতে প্রসংগতক্রমে যতক্ষণ পর্যন্ত না বর্জন করিয়া এবং তাহাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট উত্তরাধিকারীগণ আইনগত প্রতিনিধি কার্যনির্বাহকগণ হস্তান্তর অন্তর্ভুক্তির প্রকাশ ঘটিবে) প্রথমপক্ষ বলিয়া পরিচিতি হইবে। যাহার টিআইএন-১৭৮১১০৮৫২২
জনতা ব্যাংক, একটি অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান, যাহা বাংলাদেশ ব্যাংক (রাষ্ট্রীয়করণ) আদেশ ১৯৭২ এর প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত হইয়াছে। যাহার প্রধান কার্যালয়, ১১০ নং মতিঝিল বা/এ, ঢাকা এবং ইহার একটি শাখা “ফেনী প্রধান শাখা” জেলা-ফেনী। পরবর্তীতে বন্ধকগ্রহীতা (যাহাতে প্রসংগক্রমে যতক্ষণ পর্যন্ত না বর্জন করিয়া এবং তাহাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট উত্তরাধিকারীগণ আইনগত প্রতিনিধি কার্যনির্বাহকগণ হস্তান্তর অন্তর্ভুক্তির প্রকাশ ঘটিবে) দ্বিতীয় পক্ষ বলিয়া পরিচিত হইবে।
যেহেতু বন্ধকদাতা/ঋণ গ্রহীতা হিসাবে বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংকের নিকট হইতে কর্মচারী গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদানের জন্য আবেদন করিয়াছেন এবং যেহেতু উক্ত ঋণের সুবিধা গ্রহণের জন্য ঋণ গ্রহীতা/বন্ধকদাতা তফশিল বর্ণিত সম্পত্তি হিসাবে বন্ধকগ্রহীতা ব্যাংকের অনুকূলে বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব করেন। যেহেতু বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক, ঋণ গ্রহীতার অনুকূলে প্রধান কার্যালয়ের ঋণ মঞ্জুরী পত্র নং ইক/এজিএম/কঃগৃঃনিঃঋণ/বর্ধিত/৬০১২/২০০৬/২১৩, তারিখ: ২২-০২-২০০৭ইং দ্বারা পূর্বে মঞ্জুরীকৃত এবং বর্তমানে মঞ্জুরীকৃত মোট (৪,০০,০০০.০০ + ১০,০০,০০০,০০) = ১৪,০০,০০০.০০ (চৌদ্দ লক্ষ) টাকা কর্মচারী গৃহ নির্মাণ ঋণ সুবিধার বিপরীতে নিরাপত্তা হিসাবে বন্ধকদাতার নামীয় নি তফশিলভুক্ত সম্পত্তির আইনগত বন্ধক গ্রহণ করিতে সম্মত হইয়াছেন এবং ঋণ মঞ্জুরী পত্রের শর্ত মোতাবেক কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার মোতাবেক সুদ প্রদানের সম্মত আছে।
অত্র বন্ধক দলিল দ্বারা বন্ধকদাতা বন্ধক গ্রহীতাকে নিম্ন লিখিত শর্তে বন্ধক সম্পাদন করিয়া দিতেছেন।
১। বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক ঋণ গ্রহীতাকে উপরোক্ত ঋণের জন্য এবং ভবিষ্যতের অন্য কোন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে সুবিধা প্রদানের নিরাপত্তায় বন্ধকদাতা বন্ধকদাতা নিম্ন তফসিলভুক্ত সম্পত্তির সমস্ত অধিকার এবং স্বত্ব বন্ধক গ্রহিতা ব্যাংকে সাধারণ বন্ধকের মাধ্যমে উক্ত ঋণের নিরাপত্তা হিসাবে হস্তান্তর ও সম্পাদন করিলেন।
২। যদি ঋণ গ্রহীতা ঋণ পরিশোধে অপারগ হন তাহা হইলে বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় অথবা অন্য কোন উপায়ে টাকা আদায় করিয়া অপরিশোধিত টাকা বন্ধকদাতার পক্ষে পরিশোধ করিবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং ক্ষমতা প্রাপ্ত হিসেবে তফশিলভুক্ত সম্পত্তি আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত নিজেই বিচক্ষণতায় বিক্রী করিতে পারিবেন।
৩। আরও বর্ণিত হইল যে, বন্ধক গ্রহিতা ব্যাংক যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহা হইলে তফসিলভুক্ত সম্পত্তি আদালতর হস্তক্ষেপ ব্যতীত নিজস্ব বিচক্ষণতায় বিক্রী করিবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং উভয় পক্ষের উপর অবশ্যই পালনীয় বলিয়া গণ্য হইবে। বন্ধক গ্রহিতা ব্যাংক ক্ষমতা প্রাপ্ত হিসাবেই আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত তফসিলভুক্ত সম্পত্তি বিক্রী করিতে পারিবেন।
৪। বন্ধকতা বন্ধক গ্রহীতার মতামত ব্যতীত সম্পত্তির অন্য কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করিতে পারিবেন না। বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক বন্ধকী সম্পত্তির ব্যাপারে নিজস্ব বিচক্ষণতায় যে কোন সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন। নিরাপত্তামূলক বন্ধকী সম্পত্তির ব্যাপারে কোন প্রকার মাল ক্রোক অথবা বর্ণিত সম্পত্তির উপর অথবা প্রতিকূলে বিচক্ষণতায় রোধ করিতে পারিবেন।
৫। বর্ণিত সম্পত্তি বন্ধকদাতা নিজস্ব মূল্যে এবং খরচে সম্পূর্ণ নির্দায় ও ভাল অবস্থায় বন্ধক গ্রহিতার নিকট বন্ধক প্রদান করিলেন।
৬। বন্ধকদাতা ইহাও ঘোষণা করিতেছেন যে, অত্র সম্পত্তি নির্দায় নিষ্কণ্টক অবস্থায় বন্ধক গ্রহিতা ব্যাংক-এর নিকট আইনগতভঅবে রেজিস্ট্রিকৃত বন্ধক দেওয়ার উপযুক্ত।
৭। বন্ধকদাতা বন্ধক গ্রহিতা ব্যাংকের প্রতিনিধি/কর্মচারী এবং মনোনীত ব্যক্তিবর্গকে বিভিন্ন সময়ে বন্ধকী সম্পত্তি পরিদর্শন করিতে অথবা পরিদর্শনের রিপোর্ট অথবা ফর্দ তৈরি করিতে অনুমতি প্রদান করিবেন।
৮। বন্ধকী সম্পত্তির বন্ধক থাকাকালীন সময়ে সমস্ত কর এবং ভাড়া যাহা সম্পত্তির জন্য দেয় তাহা বন্ধকদাতা প্রদান করিবেন এবং ইহা খেলাপের কারণে বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংকের কোন ক্ষতি হইলে বন্ধকদাতা আর্থিক মূল্যমানের পূরণ করিতে সম্মত হইয়াছেন।
৯। বন্ধকদাতা সম্মত হইয়াছেন যে, অত্র বন্ধক এর মাধ্যমে বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক যাহা অর্জন করিয়াছেন অথবা পরবর্তীতে যাহা অর্জন করিতে পারিবেন অথবা অন্য কোন ভাবে অর্জিত হইলে তাকে বন্ধক গ্রহীতাকে নিয়োগ সাধন, প্রতিকারের সীমাবদ্ধ করার সুযোগ সুবিধা নিশ্চয়তায় অথবা জামিন প্রদান কোন ভাবেই দুর্বল করিতে পারিবেন না।
১০। বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক যে কোন সময় ঋণ গ্রহিতা ঋণ পরিশোধ করিতে অপারগ অথবা ব্যর্থ হইলে বন্ধকী সম্পত্তি ও কার্যকরী করিয়া ঋণ পরিশোধ করিয়া নেওয়ার স্বাধীনতা ইচ্ছা পোষণ করিতে পারিবেন।
১১। সুদ এবং অন্যান্য খরচ সহ ঋণ পরিশোধিত হইলে বন্ধকদাতা নিজস্ব খরচে বন্ধক গ্রহিতার নিকট হইতে বন্ধক মুক্ত করিয়া নিতে পারিবেন। বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংকের নিকট হইতে ঋণ গ্রহীতা নির্দায় ও নিষ্কণ্টকতা অর্জন করিবার পর ইমা মোচন হইলে অত্র বন্ধক সম্পূর্ণ ভাবে বিলোপ বলিয়া গণ্য হইবে।
১২। ঋণ গ্রহীতা সময়মত ঋণ পরিশোধ না করিলে আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত এবং ঋণ গ্রহীতা বা বন্ধকদাতার সম্মতি ব্যতীত বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক প্রয়োজনবোধে তফসিলভুক্ত সম্পত্তি ও সহজামানত সম্পত্তি বিক্রয় করিতে পারিবেন অথবা সম্পত্তির দখল বুঝিয়া লইতে পারিবেন।
১৩। সম্পত্তির ধারাবাহিক মালিকানা। তফসিল বর্ণিত সম্পত্তিতে মোঃ ওয়াদুদ মিয়া ও মিসেস দ্বিনা আক্তার রেজিঃ দলিল নং ৪৫৮৫ তাং ১৭-০৮-২০০০ইং মূলে মালিকা থাকিয়া নিজ নাম মিউটেশন করতঃ মালিক থাকাবস্থায় তাহাদের নিকট হইতে ডেমরা সাব-রেজিঃ অফিসে বেজ্যিকৃত সাফ কবলা দলিল নং ৪২৯১ তাং ২৭-০৬-২০০৪ইং ঋণগ্রহীতা শামসুদ্দিন আহাম্মেদ ভূঁইয়া তফশিল বর্ণিত সম্পত্তি খরিদ করিয়া নিজের নাম মিউটেশন করতঃ খাজনাদি পরিশোধ করিয়া বর্তমান মালিক ও ভোগ দখলকার নিয়ত রহিয়াছেন।
১৪। আমি বন্ধকদাতা ঘোষণা করিতেছি যে, নিম্ন তফসিলভূক্ত সম্পত্তিটি নিষ্কন্টক অবস্থায় বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক এর নিকট রেজিস্ট্রি বন্ধক প্রদান করিলাম। বন্ধকী সম্পত্তির বন্ধক থাকাকালীন সময়ে সমস্ত কর এবং ভাড়া যাহা সম্পত্তির জন্য দেয় তাহা আমি বন্ধকদাতা প্রদান করিব এবং ইহা খেলাপের কারণে বা বন্ধকী সম্পত্তির দখল ও মালিকানা সম্পর্কে মিথ্যাচার বা সত্য গোপন করায় কারণে বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংকের কোন ক্ষতি হইলে আমি বন্ধকদাতার ওয়ারিশগণক্রমে উক্ত স্মৃতি আর্থিক মূল্যমানের পূরণ করিতে বাধ্য থাকিব এবং কৃত অপরাধের জন্য আইনত দন্ডনীয় হইবে এবং বন্ধক গ্রহীতা ব্যাংক আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারিবেন।
সম্পত্তির তফসিল বিবরণ।
জেলা-ঢাকা, থানা ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিস-ডেমরা, জেএল নং সিএস-৩৩২, হালে-১৫৪, মৌজা-মাতুয়াইল স্থিত, সিএস খতিয়ান নং ৯৭৫, এসএ খতিয়ান নং ১২৫৩, আরএস খতিয়ান নং ৭৭৭, মহানগর জরিপ খতিয়ান নং ৪২৮০১, সিএস ও এসএ দাগ নং ৪৭৬৬ (চার হাজার সাতশত ছিষট্টি), আরএস দাগ নং ৭৭৮২ (সাত হাজার সাতশত বিরাশি), মহানগর জরিপ দাগ নং ৪২৬৩২, বন্ধকী জমির পরিমাণ ০৪.৫০ (সাড়ে চার) শতাংশ। যাহার উপর বিল্ডিং কাঠামো নির্মিত হইয়াছে বা হইবে এবং ভবিষ্যতে যাহা কিছু নির্মিত ও স্থাপিত হইবে তাহা সহ সমস্ত কিছু।
সম্পত্তির চৌহদ্দী:-
উত্তরে- ৪৭৬৫ নং দাগের জমি,
পূর্বে- মোঃ আবু হোসেন মোল্লা
দক্ষিণে- আবু হোসেন মোল্লা,
পশ্চিমে- চলাচলের রাস্তা
বন্ধকী সম্পত্তির স্কেচ/নকশা
উত্তর
দক্ষিণ
বন্ধকী জমির পরিমাণ ০৪.৫০ শতাংশ।
নিম্ন লিখিত স্বাক্ষীগণের সম্মুখে আমি দলিল পড়িয়া স্বজ্ঞানে সুস্থ্য মস্তিষ্কে অদ্য …… …… …… ইং তারিখে অত্র বন্ধক দলিলে সহি সম্পাদন করিলাম।
স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষর ও ঠিকানা:
১।
২।
কম্পোজকারক:
(মোঃ রাসেল চৌধুরী)
৪১/২, পুরানা পল্টন লাইন, মতিঝিল, ঢাকা।
———————–
(বন্ধকদাতার স্বাক্ষর)
মুসাবিদাকারক :-
(মোঃ শামসুল হক)
প্যানেল এডভোকেট
জনতা ব্যাংক, ঢাকা।
হলফনামা
আমি, শামসুদ্দিন আহাম্মেদ ভূঁইয়া, পিতা-মরহুম মোঃ হাবিব উল্লাহ ভূঁইয়া, গ্রাম-পূর্ব শোশালিয়া, ডাকঘর-দশঘরিয়া, থানা-চাটখিল, জেলা-নোয়াখালী, বর্তমানে-অফিসার, নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগ, জনতা ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা, পেশা-চাকুরী, ধর্ম-ইসলাম, জাতীয়তা-বাংলাদেশী। এই মর্মে হলফনামা প্রদান করিতেছি যে, আমি অত্র বন্ধকী জমির নিরংকুশ মালিক, অন্য কেহ মালিকানার অংশীদার নাই, অন্য কোন পক্ষের সহিত বায়না চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় নাই বা অন্য কোথাও বিক্রয় হয় নাই বা অন্য কোন পক্ষের নিকট বন্ধক রাখা হয় নাই বা সম্পত্তি সরকারী খাস/অর্পিত বা পরিত্যক্ষ সম্পত্তি নয় বা অন্য কোন ভাবে সরকারে বর্তায় নাই।
আরও হলফনামা প্রদান করা যাইতেছে যে, উপরে কোন ভুল তথ্য লিপিবদ্ধ হইয়া থাকিলে তজ্জন্য দায়ী হইব, আমার বিরুদ্ধে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা করা যাইবে, ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য খাকিব, জমি সম্পর্কে যে কোন ভুল অসত্য, বিভ্রান্তকর তথ্য প্রদান করিয়া থাকিলে প্রয়োজনে নিজ খরচায় ফুল শুদ্ধ করিয়া ক্ষতিপূরণ সহ নতুন দলিল প্রস্তুত ও রেজিস্ট্রি করিয়া দিতে বাধ্য থাকিব।
উপরোক্ত বর্ণনা আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সম্পূর্ণ সত্য। আমি অদ্য………….ইং তারিখে সাব-রেজিস্ট্রিার সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামায় স্বাক্ষর করিলাম।
হলফকারীর স্বাক্ষর
হলফকারী আমার পরিচিত। তিনি অত্র অফিসে হাজির আছেন এবং আমার সম্মুখে সহি স্বাক্ষর প্রদান করিলেন।
সনাক্তকারীর নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষর:
দলিল রেজিস্ট্রি, নামজারি ও ট্যাক্স রিটার্ন সহ যেকোন আইনি সহায়তার জন্য যোগাযোগ করুন
শিশির এন্ড এসোসিয়েটস
সার্বিক পরিচালনায়: এডভোকেট মুহাম্মদ মহীউদ্দীন (শিশির)
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
ভূমি ও কর বিশেষজ্ঞ
01711068609